বগুড়ার শেরপুরে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রচার বিমুখ বীর মুক্তিযোদ্ধা হোমিওপ্যাথ ডা. মো. আতিকুল্লা।

পরিচিতি : ডা. মো. আতিকুল্লা, পিতা-মৃত মমতাজ উদ্দীন আহমেদ, মাতা-মৃত সারখুন নেছা বিবি, বাসা- ডাক্তার বাড়ী, মহল্লা-জগন্নাথ পাড়া, উপজেলা- শেরপুর, জেলা-বগুড়া, বাংলাদেশ। পেশা- চিকিৎসক (হোমিওপ্যাথি)। জাতীয় পরিচয় পত্র নং ১৯৩৫১০২৮৮০৫৬২৭৬৩৯।
উত্তর জনপদের খ্যাতনামা ও উচ্চ ডিগ্রিধারী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ডা. মো. আতিকুল্লা। তিনি ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৩৫খ্রি. ছায়াঢাকা প্রাকৃতিক শোভাময় কালের সাক্ষী প্রবাহমান শীতলক্ষা নদী সংলগ্ন গ্রাম-ঘি ঘাট, ইউ-পি তারাগঞ্জ, উপজেলা-কাপাসিয়া, জেলা-গাজীপুর (সাবেক ঢাকা জেলা), বাংলাদেশ, সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ২ ভাই-বোন। তিনি বড় ও বোন ছোট।
তিনি সাধারণ শিক্ষা (General Education) শেষ করেন। তারপর তিনি ১৯৫৭খ্রি. দি রইস হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ, কুড়িগ্রাম, পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) হতে Bachelor of Homoeopathic Medicine এইচ.এম.বি (হোমিওপ্যাথি) কোর্স পাস করেন। তিনি ১৯৬০খ্রি. দি ইর্স্টান পাকিস্তান হোমিও মেডিক্যাল কলেজ (কলেজ গর্ভঃ রেজিঃ নং ১৬১), কুমিল্লা, ত্রিপুরা, পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) হতে Bachelor of Biochemic Medicine বি.এম.বি (বাইওকেমিক) কোর্সে (গোল্ড মেডালিষ্ট ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট) ডিগ্রি ও স্বর্ণপদক অর্জন করেন। 


ডা. মো. আতিকুল্লা তিনি দি রইচ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে অধ্যয়ন অবস্থায় একমাত্র স্নেহের ছোট বোন মরহুমা কদ বানু (চিনি) এর অকাল মৃত্যুবরণ করে। মেডিক্যাল কলেজ হতে পাস করার পর (সন্তান হোমিওপ্যাথি ডাক্তার হবে এর স্বপ্নদ্রষ্টা) তার শ্রদ্ধেয় বাবা মৃত্যুবরণ করেন। কয়েক বৎসর যেতে না যেতেই ডা. মো. আতিকুল্লা এর জন্মদাত্রী মা তাকে এতিম করে রেখে মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি “Board of Homoeopathic System of Medicine (HSM), Pakistan.” Pakistan Govt. (Section 26) Homoeopathic Practitioners Act. 1965 (II of 1965) হতে ১৩ ফেব্রুয়ারি’ ১৯৬৮খ্রি. “ডা.” হিসাবে “Certificate of Registration” প্রাপ্ত হন ও গভঃ রেজিষ্টার্ড নং ১৭৭৫৮ (হোমিওপ্যাথি) (পাকিস্তান) প্রাপ্ত হন। চিকিৎসক হিসাবে পেশা শুরু করেন।
১৯৬৮খ্রি. ডা. মো. আতিকুল্লা বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় জগন্নাথ পাড়ায় বাসভবন ও ডাক্তার চেম্বারের জন্য জায়গা ক্রয় করেন। বাসভবনে (ডাক্তার বাড়ী) ডা. আতিকুল্লা হোমিওপ্যাথি হেলথ কেয়ার প্রতিষ্ঠা করেন।
বর্তমানেও উত্তর জনপদের উচ্চডিগ্রিধারী প্রখ্যাত ও প্রবীণ চিকিৎসক ডা. মো. আতিকুল্লা তার নিজ বাসভবন বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় জগন্নাথ পাড়ায় ডাক্তার বাড়ী’তে ১৯৬৮খ্রি. প্রতিষ্ঠিত ডা. আতিকুল্লা হোমিওপ্যাথি হেলথ কেয়ার প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বসছেন ও পাঁচ দশক (পঞ্চাশ বছর) যাবত নিরলশ ভাবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মাধ্যমে মানবসেবা প্রদান করে আসছেন। 
বাঙ্গালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৭ই মার্চ ১৯৭১ খ্রি. তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেশের মুক্তিকামী জনগণের সাথে সাথে ডা. মো. আতিকুল্লা কেও অনুপ্রাণিত করে। ফলে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিভিন্ন ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছেন। প্রচার বিমুখ ডা. মো. আতিকুল্লা মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সৈনিক হিসাবে কাজ করেছেন। এছাড়া স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিভিন্নভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছেন। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও এদেশীয় স্বাধীনতা বিরোধী দ্বারা শারীরিক নির্যাতনের শিকার ও বেশ কয়েকবার মৃত্যুর মুখে পতিত হয়েছিলেন।
ডা. মো. আতিকুল্লা ১৯৭১ খ্রি. স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। তিনি একজন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। 
উত্তর জনপদের খ্যাতনামা ও উচ্চ ডিগ্রিধারী ডা. মো. আতিকুল্লা পেশাঃ চিকিৎসক (হোমিওপ্যাথি), পেশাগত অবস্থায় ০৭ (সাত) নং সেক্টরের অধিনায়ক কাজী নূরুজ্জামান এর অধীনে যুদ্ধকালীন কমান্ডার মরহুম আব্দুল্লাহ হেল কাফী আলম এর অধীন আগষ্ঠ ১৯৭১ খ্রি. সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেন।তিনি গোসাইবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে গ্রেনেড, থ্রি নট থ্রি রাইফেল পরিচালনার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। যুদ্ধকালীন কমান্ডার ছিলেনঃ মরহুম আব্দুল্লাহ হেল কাফী আলম। ডা. মো. আতিকুল্লা বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলা, ধুনট উপজেলা, সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলায় সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। যুদ্ধ শেষে দেশ গড়ার স্বপ্নে কাজী আলমের নেতৃত্বে তিনি ও সহযোদ্ধারা সবাই মিলে জাতীয় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সমস্ত অস্ত্র সমর্পন করেন।
তিনি অনেক সহযোদ্ধার সঙ্গে নিজেও অস্ত্র হাতে নিয়ে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। কখনও ডাক্তার পরিচয়ে ছদ্মবেশ ধারণ করে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারকে গোপনে তথ্য প্রদান, খাদ্য, বস্ত্র, অর্থ, ঔষধ প্রদান করেছেন…।  বার্ধক্য জনিত কারণে অনেক স্নৃতি আজ বিস্নৃতি…।
মুক্তিযোদ্ধা জসীম উদ্দিন মন্ডল, পিতা- মৃতঃ এন্দাজ আলী মন্ডল, গ্রামঃ শাকদহ, চৌকিবাড়ী ইউ-পি, ধুনট, বগুড়া। বর্তমান ঠিকানাঃ মহল্লা- স্যানাল পাড়া, শেরপুর পৌর এলাকা, উপজেলা-শেরপুর, জেলা-বগুড়া। ছদ্মরূপধারণ করে জগন্নাথ পাড়া (স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনা ক্যাম্প ও রাজাকার-আলবদর তথা মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতা কারিদের ট্রেনিং সেন্টার। বর্তমান শেরপুর সরকারি ডি. জে. মডেল হাইস্কুল মাঠ ও জাতীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের একমাত্র মাঠ) সংলগ্ন ডা. মো. আতিকুল্লা এর হোমিওপ্যাথি ডাক্তার খানায় এসে গোপনে স্বাধীনতা বিরোধীদের ও পাকিস্তানি সেনা বাহিনীর খবর নিতে এসে পাকিস্তান সেনা বাহিনী ক্যাপ্টেন ও চিহ্নিত রাজাকারের হাতে ধরা পড়লে তখন ডা. মো. আতিকুল্লা কৌশলে তার পকেটে কয়েকটি হোমিওপ্যাথি সহায়ক উপাদান (সুগার অব মিল্ক) পুড়িয়া ঢুকিয়া দেয়। পরিচয় দেন ইনি আমার চেম্বারে রোগীর ঔষধ নিতে এসেছেন। বাড়ীতে শিশু সন্তান খুবই অসুস্থ। তারাতারি বাসায় জসীম উদ্দিন কে যেতে হবে। এ রকম অসংখ্য ঘটনা আছে। তিনি অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের ও তাদের পরিবারকে নিয়মিত বিনামূল্যে ঔষধ প্রদান করতেন। তাদের পরিবারের মাধ্যমে রাজাকারদের খবরা-খবর নিয়মিত পাঠাতেন।ফলে রাজাকারদের প্রতিহিংসার শিকার হন। তার চেম্বার ও ঘর লুট হয়। টাকা পয়সা, হোমিওপ্যাথি দুর্লভ বই, কাগজ-পত্র, কাপড়চোপড় খোয়া যায়।স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন কর্তৃক প্রকাশ্যে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন ও জ্ঞান হারান। শরীরে এখনও অনেক ক্ষতের দাগ আছে।
মুক্তিযুদ্ধে ঘটনা ১।
মুক্তিযুদ্ধের সময় স্থানীয় প্রত্যেকটি পুরুষ ব্যাক্তিদের কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জগন্নাথ পাড়া খেলার মাঠের পূর্ব-দক্ষিন পার্শ্বে পৌর রাস্তায় সাড়িবদ্ধ ভাবে দাঁড় করায়। পরিচয় নিয়ে একে একে সকল কে ছেড়ে দিলেও তার পরিচয় ঢাকায় থাকতো জানার পর তাকে ছাড়ে নি। তাকে হত্যা করার জন্য প্রকাশ্যে বন্দুক উচিয়ে গুলি করার প্রস্তুতি নিলে স্থানীয় মৌলভী রেজ্জাক তাকে বাঁচানোর জন্য ছুটে আসে। তাদের হাত-পা ধরে তাকে মুক্ত করে। তাদের নিকট হতে বাঁচানোর জন্য সে বানিয়ে বানিয়ে বলে যে, নিজের ছোট ভাই, ইন্ডিয়ার মুর্শিদাবাদ থাকে। মুর্শিদাবাদ হতে ঢাকায় এসেছে। ঢাকা হতে শেরপুরে আমার কাছে নিয়ে এসেছি। তা না বললে সে দিনই প্রাণ যেত। মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট শুকরিয়া আদায় করেন।
মুক্তিযুদ্ধে ঘটনা ২।
স্থানীয় আবুল হোসেন কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে নিজেকে বাঁচানোর জন্য তার পাশদিয়ে চলে যাওয়া ডা. মো. আতিকুল্লা কে দেখিয়ে বলে তিনি ঢাকার লোক। শুনে তাকে ছেড়ে দিয়ে ডা. মো. আতিকুল্লা কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গ্রেপ্তার করে ও গুলি করার উদ্যোত হয়। তা জানতে পেরে স্থানীয় একজন সাধারণ লোক মৌলভী রেজ্জাক তাকে বাঁচায়। তবে লোভী সেনাবাহিনীর নিকট খোয়ান উভয় হাতের আঙ্গুলে ব্যবহৃত পাথরবিহীন সম্পূর্ণ সোনার আংটি ও দামি ব্যান্ডের হাত ঘড়ি।
মুক্তিযুদ্ধে ঘটনা ৩।
স্থানীয় আলবদরের ক্যাপ্টেন জাফর আলী তাকে মসজিদে সমাজের লোক ডাকছে বলে নিয়ে গিয়ে মসজিদে গোল হয়ে বসা পাকিস্তানি সেনাদের মধ্যে তাকে বসতে দেয়। পাকিস্তানি সেনারা তাকে তামাশা করা শুরু করে। পরবর্তিতে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। আলবদররা তাকে রেখে চলে যায়। স্থানীয় সামাউন তাকে দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসে ও তাকে বাঁচায়।
স্থানীয় চিহ্নিত রাজাকার-আলবদর তাকে বাঁচতে চাইলে তাদের দলে যোগ দেবার আহবান করে। আরো বলে আমাদের সাথে যোগ ও প্রশিক্ষণ না দিয়ে ভুল করছেন। পূর্ব পাকিস্তানে শুধু লাল মাটি (রক্তে রঞ্জিত) থাকবে মানুষ থাকবে না। শুধু আমরা থাকব…।
ডা. মো. আতিকুল্লা মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার, আলবদর, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দ্বারা মৃত্যুর মুখে বার বার প্রতীত হলেও তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠান স্বপ্ন তথা নীতি আর্দশ বিসর্জন দেন নি। মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার কারণে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন ও মৃত্যুর মুখে বার বার প্রতীত হন। তার শ্বশুর বাড়ীর অনেকে নির্যাতনের শিকার হন। তাদের মধ্যে সম্বন্ধী মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শ্যায়খুল বারী (মামুন) সহ অনেকে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প মাঠে জনসম্মুখে নির্যাতনের শিকার হন।
মুক্তিযোদ্ধাদের কে নিজ অবস্থান হতে তথ্য, খাদ্য, অর্থ, ঔষধ প্রভৃতি দিয়ে সহায়তা করেছেন। অনেক মুক্তিযোদ্ধা বয়সের কারণে মৃত্যুবরণ করেছে। তা আজ স্নৃতি। ডা. মো. আতিকুল্লা বার বার মৃত্যুর মুখে পতিত হয়ে ও পাকিস্তানি সেনা বাহিনী কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের শিকার এবং তার একাধিক চিহ্ন শরীরে বহন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরের পোদ্দার পাড়ায় পোদ্দার বাড়ী’র বাংলাদেশের বরেণ্য লেখক ও রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পদক স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত মরহুম রোমেনা আফাজ এর চাচাতো ছোট ভাই বাংলাদেশের বরেণ্য কবি ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কবি স্বভাব কবি মরহুম আবদুর রউফ এর কন্যা মোছা. আফরোজা বেগম (রোজী) সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন। তিনি ২ পুত্র ও ৩ কন্যা সন্তানের জনক। সন্তানরা সকলেই শিক্ষিত। বিশ্ববিদ্যালয় হতে উচ্চশিক্ষিত পুত্রদ্বয়ঃ হোমিওপ্যাথ ডা. মো. আবু সাঈদ (আরিফ) (ডিএইচএমএস, এমএসএস, এমবিএ), হোমিওপ্যাথ ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) (ডিএইচএমএস, এমএসএস)। কন্যাগণঃ হোমিওপ্যাথ ডা. মোছা. লাভলী পারভীন (লাবনী) (এইচএসসি, ডিএইচএমএস), মোছা. সুমী পারভীন (সুমী) (এইচএসসি)  মোছা. রুমী পারভীন (রুমী) (এসএসসি)।
সমগ্র জাতির বহুত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধ হৃদয়ে তথা অস্তিত্বে ধারণ করেন।জয় বাংলা (মহান মুক্তিযুদ্ধের শ্লোগান)।(তথ্যসূত্র)